দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, “নিরাপত্তাজনিত কারণে ড্রোন উৎপাদনে চীনের যন্ত্রাংশের পরিবর্তে সম্পূর্ণ নিজস্ব যন্ত্রাংশে এসব মনুষ্যবিহীন যান উৎপাদন করা হবে “উত্তর কোরিয়ার ব্যাপারে সতর্কতা দিয়ে তিনি বলেন “উত্তর কোরিয়াও নিজেদের ড্রোন ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিচ্ছে। যা দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক ও বেসামরিক অবকাঠামোর জন্য আরও হুমকি হয়ে উঠছে।”সামরিক বাহিনীর একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, সামরিক বাহিনী দ্রুত সময়ে সাশ্রয়ী মূল্যের, বর্ধমানযোগ্য ২০ হাজারের বেশি ড্রোন কেনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। এরসঙ্গে তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আত্মঘাতী ড্রোন ব্যবহার শুরু করবেন।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সামরিক বাহিনীতে বেসামরিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে ক্রয় সংক্রান্ত নিয়মনীতিতে কিছু পরিবর্তন আনা হবে।দেশটির সাবেক সরকারের ড্রোন পরিচালনা নিয়ে রাজনৈতিক স্পর্শকাতরতার মধ্যেই ড্রোনের ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়টি সামনে এলো। উত্তর কোরিয়ায় একটি সামরিক ড্রোনের অনুপ্রবেশের অভিযোগে চলতি মাসেই দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেন দেশটির একটি আদালত। ২০২৪ সালে দেশটিতে সামরিক আইন জারি করেছিলেন ইউন সুক। তিনি ওই ড্রোন অনুপ্রবেশের মাধ্যমে তার সামরিক আইন জারিকে বৈধতা দিতে চেয়েছিলেন বলে অভিযোগ সরকারি কৌঁসুলিদের।
এসব অভিযোগের জেরে বর্তমান প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং এর সরকার পূর্বের ড্রোন অপারেশন কমান্ড ভেঙে দেয়।
এদিকে জনসংখ্যা কমায়ও দক্ষিণ কোরিয়া চাপের মধ্যে আছে। এরফলে দেশটির সেনাবাহিনী যুদ্ধের সক্ষমতা ধরে রাখতে স্বয়ংক্রিয় এবং মনুষ্যবিহীন সামরিক ব্যবস্থার ওপর আরও নির্ভরশীল হচ্ছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী নতুন একটি সংস্থা গঠন করা হবে যা মূলত নীতি নির্ধারণ ও সক্ষমতা উন্নয়নের ওপর জোর দেবে এবং সামরিক ইউনিটগুলোকে আলাদাভাবে অভিযান পরিচালনা করার ক্ষমতা দেবে।

0 মন্তব্যসমূহ
dnabdlive@gmail.com