নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের কার্যক্রম সরেজমিনে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে প্রবেশের পূর্বে তিনি পরীক্ষাগারের অভ্যন্তরে খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার পদ্ধতি পর্যবেক্ষণ করেন। সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের নিচে স্থাপিত ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারটির ভেতরে ঢুকে খাদ্যের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার প্রক্রিয়া দেখেন তিনি। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পরীক্ষাগারটির পরিচালনা কার্যক্রম সম্পর্কে তাকে অবগত করেন।কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন, দেশের ৬৪টি জেলায় ভেজালবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে খাদ্যের নমুনা পরীক্ষা ও তদারকি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের মাধ্যমে খাদ্য পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।বর্তমানে দেশের ৮টি মহানগর এলাকায় ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারের মাধ্যমে খাদ্যের নমুনা পরীক্ষা ও তদারকি চলছে। এটি ধাপে ধাপে দেশের ৬৪টি জেলায় সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে আলাদাভাবে এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় ৭২টি ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগার ভ্যান সংগ্রহের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভ্রাম্যমাণ পরীক্ষাগারগুলোতে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ভ্যানের বাইরের দিকে স্থাপিত মনিটরে নিরাপদ খাদ্যবিষয়ক সচেতনতামূলক ভিডিও প্রদর্শন করা হয়।এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম, সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও জনপ্রশাসন সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরীসহ খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।